avertisements
Text

দৈনিক দিনকাল.নেট

চিনির প্রতিকেজির মূল্য বেড়েছে দ্বিগুণ!

প্রকাশ: ১০:০৯ পিএম, ২ নভেম্বর, বুধবার,২০২২ | আপডেট: ১১:০৩ পিএম, ২৫ মে,শনিবার,২০২৪

Text

কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের অন্যতম কৃষি পণ্য চিনির বাজার বিদেশিদের হাতে চলে গেছে। বছরে চিনির চাহিদা ১৮ থেকে ২০ লাখ টন। কিন্তু বাংলাদেশে কৃষিজাত অর্থাৎ আখ ফসল থেকে আহরিত চিনির উৎপাদন এখন এক লাখ টনেরও নিচে নেমেছে। তা হলে চিনির চাহিদা পূরণ হচ্ছে কিভাবে? এই টাকা যাচ্ছে কোথায়? ভাগ যাচ্ছে কোথায়? অতি সম্প্রতি প্রতিকেজি চিনির দাম কেজি প্রতি ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে এই চিনির দাম দ্বিগুণ হলো।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে চিনি ছিল অন্যতম কৃষি পণ্য। বার্ষিক ফসল ইক্ষু বা আখ থেকে আহরিত সুমিষ্ট রস থেকে পাওয়া যায় এই চিনি। প্রাচীনকাল থেকে এই অঞ্চলে ইক্ষু ফসলের চাষ চলে আসছে। সারাদেশেই কমবেশি ফসল হয় এই ইক্ষু ফসলের। এর রস থেকে গুড় ও চিনি পাওয়া যায়। এই গুড় ও চিনি একদা বিদেশে রফতানি হতো। এখনো হয়। কিন্তু বর্তমানে দেশে যে চিনির একতরফা বাজার সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রকৃত চিনি নয়। মুলা জাতীয় একটি কৃষি পণ্য থেকে আহরিত রস থেকে এই চিনি পাওয়া যায়, যা র-সুগার (জঅড ঝটএঊজ) হিসেবে সরকারিভাবে পরিচিতি পেয়েছে। এই র-সুগার নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি পর্যায়েই পরস্পর বিরোধিতা রয়েছে। সুযোগটি গ্রহণ করেছে এক শ্রেণির মুনাফা লোভী ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেরও এ বিষয়ে রয়েছে অস্পষ্ট নীতি।

ধান-ডাল-সরিষা-ইক্ষু এই ফসল চতুষ্টয় একদা ছিল প্রধান কৃষি ফসল, যা বিদেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন পড়তো না। এখন কি অবস্থা? এখন তো চাল, ডাল, ভোজ্য তেল আমদানি করতে হয়। আর চিনির কথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

চিনি বা গুড় মিষ্টান্ন হিসেবে সমাদৃত। চিনির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। কয়েক বছর আগেও এর বার্ষিক চাহিদা ছিল ১৬/১৭ লাখ টন। বর্তমানে তা ২০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। কারণ চিনির বহুবিধ ব্যবহার বাড়ছেই। শুধু খাদ্য নয়, ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের জীবন রক্ষাকারী পণ্য উৎপাদনেও চিনির ব্যবহার বাড়ছেই।

সাম্প্রতিককালে রাজধানী ঢাকার ফুটপাতেও বিক্রি হয় আখের রস। প্রতিগ্লাস ২০ টাকা। ক্লান্ত মানুষের প্রিয় এই আখের রসকে বলা যায় ১০০ ভাগ খাঁটি পানীয়। চোখের সামনে লম্বা লম্বা ইক্ষু ক্র্যাস করে এই পানীয় বিক্রি করা হয়। আবার আস্ত ইক্ষু দন্ডও কেনা যায়। এক গজ সাইজের ইক্ষুর দামও ২০ টাকা। এটি ছিলে চিবিয়ে খাওয়া যায়।

খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, এইসব ইক্ষু দন্ড চর এলাকা থেকে ঢাকায় আসছে। ভ্যান গাড়িতে করে এসব ইক্ষু এনে ঢাকার ফুটপাতে আস্ত ইক্ষু দন্ড বা এর রস বিক্রি করা হয়। পাঠক আপনি ইচ্ছা করলে দেশি ইক্ষুর স্বাদ আহরণ করতে পারেন-যা ভেজালহীন, অকৃত্রিম।

বিষয়: অর্থনীতি
avertisements
বইমেলায় চাঁদাবাজি : ঢাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা বহিষ্কার
বইমেলায় চাঁদাবাজি : ঢাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা বহিষ্কার
২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের সব জেলায় বিএনপির পদযাত্রা
২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের সব জেলায় বিএনপির পদযাত্রা
নতুন পাঠ্যক্রমের ওপর জঙ্গি হামলা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী
নতুন পাঠ্যক্রমের ওপর জঙ্গি হামলা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী
দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে : জি এম কাদের
দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে : জি এম কাদের
মাঠ পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে অবশ্যই অফিসে থাকতে হবে
মাঠ পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে অবশ্যই অফিসে থাকতে হবে
লুটপাটের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা : মির্জা আব্বাস
লুটপাটের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা : মির্জা আব্বাস
তাড়াশে গুলিতে আ'লীগ নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত
তাড়াশে গুলিতে আ'লীগ নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত
সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বে না আওয়ামী লীগ : কাদের
সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বে না আওয়ামী লীগ : কাদের
ওয়ার্ন-ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে অ্যান্ডারসন-ব্রড
ওয়ার্ন-ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে অ্যান্ডারসন-ব্রড
আ'লীগ এখন মলম পার্টিতে পরিনত হয়েছে : আলাল
আ'লীগ এখন মলম পার্টিতে পরিনত হয়েছে : আলাল
বিএনপি রাজপথে থেকেই জনগনের অধিকার আদায় করবে : গয়েশ্বর
বিএনপি রাজপথে থেকেই জনগনের অধিকার আদায় করবে : গয়েশ্বর
এই সরকারের পতন ছাড়া জনগণ ঘরে ফিরবেনা : টুকু
এই সরকারের পতন ছাড়া জনগণ ঘরে ফিরবেনা : টুকু
গাবতলীতে মরহুমা বিবি হায়াতুন নেছা তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
গাবতলীতে মরহুমা বিবি হায়াতুন নেছা তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
বিদেশী প্রভুদের কাছে বিএনপি নয়, সরকারই ধর্ণা দিচ্ছে : বুলু
বিদেশী প্রভুদের কাছে বিএনপি নয়, সরকারই ধর্ণা দিচ্ছে : বুলু
এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে : আমীর খসরু
এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে : আমীর খসরু
কর্ণেল আজিমের রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
কর্ণেল আজিমের রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
অরাজনৈতিক হয়েও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ডা. জুবাইদা রহমান
অরাজনৈতিক হয়েও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ডা. জুবাইদা রহমান
এ প্রতিহিংসার শেষ কোথায়!
এ প্রতিহিংসার শেষ কোথায়!
জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
বিনিয়োগকারীদের ২৪ হাজার কোটি টাকা লাপাত্তা
বিনিয়োগকারীদের ২৪ হাজার কোটি টাকা লাপাত্তা
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
কণ্ঠে আহাজারি শুনি নাই, চোখে আগুন দেখেছি : মির্জা ফখরুল
কণ্ঠে আহাজারি শুনি নাই, চোখে আগুন দেখেছি : মির্জা ফখরুল
ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন নিয়োগ বিধিমালা নিয়ে অসন্তোষ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন নিয়োগ বিধিমালা নিয়ে অসন্তোষ
শিক্ষার টেকসই উন্নয়ন, প্রসার ও কর্মমুখীকরণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বিএনপির ভূমিকা
শিক্ষার টেকসই উন্নয়ন, প্রসার ও কর্মমুখীকরণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বিএনপির ভূমিকা
ভোলা থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে এসেছিল এসআই কনক
ভোলা থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে এসেছিল এসআই কনক
রাজনীতিকে আওয়ামীকরণ
রাজনীতিকে আওয়ামীকরণ
ধামরাইয়ে যুবলীগ নেতা সহ ৬ ব্যাক্তির নামে আদালতে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের
ধামরাইয়ে যুবলীগ নেতা সহ ৬ ব্যাক্তির নামে আদালতে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের
ধামরাইয়ে যুবলীগ নেতা সহ ৬ ব্যাক্তির নামে আদালতে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের
ধামরাইয়ে যুবলীগ নেতা সহ ৬ ব্যাক্তির নামে আদালতে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের
ধামরাইয়ে বাসা বাড়িতে দেহ ব্যাবসার অভিযোগ
ধামরাইয়ে বাসা বাড়িতে দেহ ব্যাবসার অভিযোগ
avertisements
avertisements